• সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৪:২২ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English

প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার তিন বছরেও চালু হয়নি লক্ষ্মীপুরে নৌ-বন্দরের কার্যক্রম

sodeshbarta24 / ১৯৭ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯

লক্ষ্মীপুরের মজুচৌধুরী হাটকে প্রধানমন্ত্রী নৌ-বন্দর ঘোষণা ও ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করার প্রায় ২ বছর ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো চালু হয়নি এর কার্যক্রম। এতে হতাশ হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। জেলা প্রশাসন বলছেন সার্ভে পর্যায়ে আছে। যৌথ জরিপে শেষে কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। অথচ সার্ভে ও পরিকল্পনায় কেটে গেলো দুই বছর। এখনো শুরু হয়নি বহুত অবকাঠামো। নৌ-বন্দর চালু হলে স্থানীয়দের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটতো।

লক্ষ্মীপুর জেলা শহর থেকে ১১ কিলোমিটার দূরে চররমনী মোহন ইউনিয়নে অবস্থিত মজুচৌধুরী হাট। ২০১৭ সালের ১২ জানুয়ারী নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের টি এ শাখা রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষকে মজুচৌধুরী হাটকে নৌ-বন্দরের সংরক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করে সরকার।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১৪ মার্চ লক্ষ্মীপুরে আওয়ামীলীগ আয়োজিত জেলা স্টেডিয়ামে জনসভায় মজুচৌধুরীহাটকে নৌ-বন্দর ঘোষণা ও নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ভিত্তি প্রস্তর স্থাপনের ২ বছর ৮ মাস পেরিয়ে গেলেও এখনো দৃশ্যমান কোন অগ্রগতি নেই। নেই জমি অধিক গ্রহনের কোন কার্যক্রম। এতে আশার চেয়ে হতাশা হওয়ার পাশাপাশি বিক্ষুব্দ স্থানীয়রা।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আবু ছৈয়াল ইউছুফ বলেন, নদী বন্দর ঘোষনা হওয়ায় সাধরণ মানুষে খুশি হয়েছে। কিন্তু এর কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় মানুষ কিন্তু ক্ষুব্দ। বন্দরটির কার্যক্রম শুরু হলে এই এলাকায় অনেক কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হতো, গড়ে উঠতো শিল্প কারখানাসহ বেশ কয়েকটি সরকারি বেসরকারি স্থাপনা। এটি একটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবেও পরিচিতি লাভ করতো। দ্রুত কার্যক্রম শুরু হোক এই দাবী করেন তিনি।

জেলা পরিষদ সদস্য ও স্থায় জনপ্রতিনিধি আলমগীর হোসেন বলেন, মজুচৌধুরী হাট এলাকায় নৌ-বন্দর নির্মাণ হলে বরিশাল, চট্রগ্রাম, সিলেট ও খুলনা বিভাগের ২১ জেলার মানুষের মধ্যে যোগাযোগের নতুন সেতুবন্ধন সৃষ্টি হবে। পর্যটন কেন্দ্রের পাশাপাশি প্রসার ঘটবে অর্থনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের। এ কারণে নৌ-বন্দরটির নির্মাণ কাজ দ্রুত শুরু করার দাবী জানান তিনি সহ স্থানীয়রা।

জেলা প্রশাসক অঞ্জন চন্দ্র পাল বলেন নৌ-বন্দরের কাজটি সার্ভে এবং পরিকল্পনা পর্যায়ে রয়েছে। এরিমধ্যে যৌথ সার্ভেয়ার নিয়োগ করা হয়েছে। চাঁদপুর থেকে টিম আসলে যৌথ জরিপে কাজটি সম্পন্ন করার পর নৌ-বন্দরের কার্যক্রম এগিয়ে যাবে বলে মনে করেন এ কর্মকর্তা।

দ্রুত বহুত অবকাঠামো নির্মাণ কাজ শুরু করার মাধ্যমে নৌবন্দর স্থাপন করে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি ২১ জেলা মানুষে মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করবে। এমনাটাই প্রত্যাশা স্থানীয়দের।


এ জাতীয় আরো খবর..

করোনাভাইরাস