• সোমবার, ১২ এপ্রিল ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
  • Bengali Bengali English English

মুখ পিরিয়ে নিচ্ছে উদ্যোক্তারা, নানাবিধ সমস্যার বেড়াজালে লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরী

sodeshbarta24 / ১৪৭ বার পঠিত
আপডেট : মঙ্গলবার, ২৬ নভেম্বর, ২০১৯

সুষ্ঠু পরিকল্পনার অভাব ও নানাবিধ সমস্যার বেড়াজালে বন্ধি লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্পনগরী। যে লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালে এই শিল্পনগরীটি গড়ে তোলে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক), সেই লক্ষ্য দীর্ঘ ২০ বছরেও অর্জিত হয়নি। এরই মধ্যে হাতে গুনা যে ক’টি শিল্প কারখানা গড়ে উঠেছে তাও গ্যাস, বিদ্যুৎ, পানি ও ড্রেনেজ সমস্যার কারণে বন্ধ হবার পথে। অথচ, অপার সম্ভাবনা থাকা সত্ত্বেও, উদ্যোক্তরা এই শিল্পনগরীতে নতুন শিল্প কারখানা স্থাপনে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছেন।

জেলা শহরের বাঞ্চানগরে প্রায় সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যায়ে ১৬ একর ভূমির ওপর বিসিক শিল্পনগরী গড়ে তোলা হয়। কিন্তু দীর্ঘ ২০ বছরেও নানা সম্যার কারণে কাঙ্খিত লক্ষ্য অর্জন করতে পারেনি বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন-বিসিক। পুরো শিল্পনগরীটি পরিনত হয়েছে এখন গো-চারণ ভূমিতে।

সে সময়ে তিন ক্যাটাগরির ১০০টি প্লটের মধ্যে ৯৫টি প্লট বরাদ্ধ দেয়া হয়। কিন্তু গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি সমস্যার কারণে অধিকাংশ প্লটেই উদ্দ্যেক্তরা শিল্প কারখানা স্থাপনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন। মাত্র ২৩টি কারখানা স্থাপন হলেও, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ, সীমানা প্রাচীর তৈরী, সামান্য বৃষ্টিতে হাটু সমান পানিতে তলিয়ে যায় রাস্তাঘাট। সৃষ্টি হয় দীর্ঘ মেয়াদী জলাবদ্ধতার। এই অবস্থায় স্থাপনকৃত শিল্প কারখানাগুলোও বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছে। অবশ্য, এরই মধ্যে তিনটি কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।

উদ্যোক্তারা জানান, গ্যাস সংযোগ না থাকায় তাদের উৎপাদন ব্যয় কয়েক গুন বেড়ে গেছে। এতে করে প্রতিযোগিতামূলক বাজারে টিকে থাকতে না পেরে তারা ব্যবসা ঘুটিয়ে নিচ্ছেন।

এদিকে, শিল্প উদ্দ্যেক্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রতি বছর বিসিক কর্তৃপক্ষ গড়ে ওঠা কারখানা থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা করে সার্ভিস চার্জ নিলেও, সেই তুলনায় তারা কোন ধরণের সার্ভিস পাচ্ছেন না। এছাড়া, শিল্পনগরীতে স্থাপিত বৈদ্যুতিক খুঁটিতে বাতির ব্যবস্থা না থাকায় কারখানাগুলোতে অহরহ ঘটছে চুরির ঘটনাও। কর্তৃপক্ষ বিষয়গুলো দেখেও, কোন ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন তারা। তবে উদ্দ্যোক্তাদের এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন লক্ষ্মীপুর বিসিক শিল্প সহায়ক কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত উপ-ব্যবস্থাপক অরবিন্দ দাস।


এ জাতীয় আরো খবর..

করোনাভাইরাস