চরভূতা বৃদ্ধের ঘর নির্মাণে বাধা, পুলিশ দিয়ে হয়রানীর অভিযোগ

4

স্টাফ রিপোর্টার :

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চরভূতা এলাকায় দুলাল নামের ষাটর্ধো বৃদ্ধের নিজের ক্রয়কৃত সম্পত্তিতে ঘর নির্মাণে বাধা দিয়ে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে প্রতিবেশি প্রভাবশালী নুর হোসেন। একই সাথে বিভিন্ন সময় পুলিশ দিয়ে হয়রানী করারও অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুলাল। ঘর নির্মাণে করতে না পারায় অনেকটাই খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবন যাপন করছে দুলালের পরিবার।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ ও তথ্য সূত্রে জানাগেছে, স্থানীয় সুলতান আহাম্মদের ছেলে মোঃ দুলাল তার মা শহর বানুর নিকট (ওই সম্পত্তি আবার শহর বানু ওয়ারিশ সুত্রে মালিক ছিলেন) থেকে ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করে। অথচ দখল পায় সাড়ে ৫ শতাংশ। আড়াই শতাংশ ছাড় দিয়েই প্রায় ৩ মাস পূর্বে দখলীয় ওই জমিতে ইট দিয়ে ঘর নির্মাণ কাজ শুরু করে। গত ১১ জুন সকালে দুলালের নির্মিত ঘরের কাজে বাধা দেয় এবং অকথ্য ভাষা গালমন্দ করে স্থানীয় প্রভাশালী নুর হোসেন। একই সাথে থানায় মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে পুলিশ দিয়েও হয়রানী করেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী দুলালের। এঘটনায় দুই পক্ষকে নিয়ে থানায় বৈঠক হয়। সিদান্ত হয় উকিলের মতামতের ভিত্তিতে সমাধান হবে।

পরবর্তীতে সমস্যা সমাধানে চলতি বছরের পহেলা জুলাই নুর হোসেনের পক্ষে এডভোকেট কৃষ্ণ দুলাল দাস এবং দুলালের পক্ষে এভাকেট নুর উদ্দিন সুজন আইনগত মতামত দেয়। সেখানে সিদান্ত হয় দুই পক্ষের আইনগত ভাবে আপোষ নিস্পত্তির জন্য সদর থানা ওসি (তদন্ত) কে ঘটনাস্থলে গিয়ে সরেজমিন দেখে যাহা সত্যতা পাবে তাহাই উভয় পক্ষকে দখলের নির্দেশ দিবে। তা না হয়ে হয়রানী শিকার ও নির্মাণ কাজে বাধাগ্রস্ত হন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী দুলাল।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত নুর হোসেনকে মোবাইল ফোনে জানতে চাইলে কোন সদোত্তর দেননি। তিনি নুর হোসেন না বলেও অস্বীকার করেন। একপর্যায়ে মোবাইল কেটে দেন নুর হোসেন।

তবে সমাধান না হওয়া পর্যন্ত আপাতত কাজ না করার পরামর্শ দিয়ে সদর থানা অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) মোসলেহ উদ্দিন জানান আইনগত মতামত নিয়ে নুর হোসেনের আপত্তি ছিল তাই তাদেরকেও তাদের আইনজীবীর মতামত নেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। তবে উভয়ের সম্পর্ক স্থিতিশীল বজায় রাখতে ঈদের পরে চুড়ান্ত সিদান্ত দেয়ার পাশপাশি সমাধান করে দেয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

Print Friendly, PDF & Email

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here